![]() |
---|
হ্যালো বন্ধুরা
ফুল ভালোবাসার প্রতীক , স্নিগ্ধতার প্রতীক। যেকোনো ফুল দেখলে মনের মধ্যে একটা ভালো লাগা কাজ করে ।সেটা হোক একটি বনফুল অর্থাৎ যেকোনো ধরনের ফুলের দিকে তাকালে মন এমনিতেই ভালো হয়ে যায়।
![]() |
---|
প্রতিটি ফুলের নিজস্ব গন্ধ ও সৌন্দর্য রয়েছে ,রয়েছে ভিন্নতা। আজ আমি কিছু পরিচিত ও অপরিচিত ফুলের সাথে আপনাদের পরিচয় করে দিব ফটোগ্রাফির মাধ্যমে।
প্রথম যে ফুলটিকে নিয়ে আপনাদের সাথে কথা বলব সেটি হচ্ছে কাটামুকুল। আমার মনে হয় কাটাযুক্ত একটি গাছের অগ্রভাগে মুকুল ধরাতে হয়তো এটিকে কাটামুকুল বলা হয়।
তবে এই ফুলটি খুবই সুন্দর ।মিষ্টি কালারের একটি ফুল । গুচ্ছ করে একসাথে ফুটে তাই সৌন্দর্য দ্বিগুণ বেড়ে যায়। আমি এই ফুলটি আমাদের স্কুল প্রাঙ্গণ থেকে তুলেছি আমাদের স্কুলের চতুর্দিকে বিভিন্ন ধরনের ফুল গাছ লাগানো আছে। সকাল বেলা যখন অ্যাসেম্বলি করছিলাম তখনই আমার চোখে পরল। তাই , কাল বিলম্ব না করে ফুলের ফটোগ্রাফি করে রাখলাম ।
![]() |
---|
জবা ফুল খুব পরিচিত একটি ফুল। তবে এই ফুলের শুধু সৌন্দর্য দিক দিয়েই নয় এর বহু ভেষজ গুণ ও রয়েছে। চুলের যত্নে ,ত্বকের যত্নে জবা ফুলের পাতা রস সবকিছুই খ্যাতি রয়েছে।
অনেক ধরনের জটিল রোগের সমাধান দেয় এই জবা ফুলের পাতা এবং জবা ফুলের রস। বন্ধুত্ব দূরীকরণে জবা ফুলের জুড়ি নেই। ভেসজ উদ্ভিদের অনেক ঔষধি গুণ রয়েছে। জবাফুল শুধু ফুল হিসেবেই নয় এর ভেষজ গুণ রয়েছে। আমাদের দেশে বিভিন্ন রঙের জবা ফুল ফোটে তবে সবচেয়ে বেশি লাল রঙের জবা আমার চোখে পড়েছে।লাল রঙের ছাড়াও হলুদ ,সাদা, কালো , গাঢ় খয়েরী ,বিভিন্ন রকমেরই জবা ফুল ফোটে আমাদের দেশে।
![]() |
---|
গাঁদা ফুল শীতকালীন একটি ফুল ।শীতকালে বিভিন্ন রকমের গাঁদা ফুল ফোটে ।তবে হলুদ রঙের গাঁদা ফুল চোখে পড়ে বেশি। গাঁদা ফুল খুব সল্পসময়ের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। বড়জোর এক দুই মাস স্থায়ী থাকে এই ফুল। গাঁদা ফুলের বৈশিষ্ট্য অনেকটা ওষুধি গাছের মতো ।একবারই ফুল ধারণ করে। ফুল দেওয়ার সাথে সাথে ই গাছটি ও মারা যায়।
এর কারণ হিসেবে বলতে গেলে বলতে হয় ,অতি বৃষ্টির কারণেই গাঁদা ফুল গাছ মরে যায়। সেজন্যই হয়তো এটিকে অনেকেই ঔষধি গাছ হিসেবে ও চিনে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে শীতকালে বৃষ্টিপাত হয় না বললেই চলে। আর এই সময় প্রচুর কুয়াশা পড়ে আর এই পরিবেশে গাঁদা ফুল গাছ বংশবিস্তার করে এবং তার সৌন্দর্য বিলিয়ে দেয়।
![]() |
---|
এটি একটি বনফুল আমার এলাকায় এটিকে টুনি লতা বলে ।এটিও একটি ঔষধি গাছ ক্ষতস্থানে এই পাতার রস দিলে দ্রুত রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে যায় । তবে ফুলের ঔষুধি গুন সম্পর্কে কোন ধারণা নেই আমার।অর্থ্যাৎ, তেমন কিছু জানা নেই ,জানা থাকলে জানাতাম , তথা আপনাদের সাথে শেয়ার করতাম।
এই ফটোগ্রাফি গুলো বেশ কিছুদিন আগেই তুলেছি। তবে আপনাদের মাঝে শেয়ার করা হয়নি সময় সুযোগের অভাবে। সেজন্য আজকে শেয়ার করলাম। যাতে করে এই সুন্দর ফুলগুলোর সৌন্দর্য আপনারা ও উপভোগ করতে পারেন এবং সুন্দর সুন্দর কমেন্ট করতে পারেন।
বন্ধুরা আজ তাহলে এখানেই শেষ করছি। সবাই ভাল থাকবেন, ফুলের মত সুন্দর হোক আপনাদের প্রত্যেকের মন ।সেই কামনায় আজকের মত এখানে বিদায় নিচ্ছি আল্লাহ হাফেজ।