Hello Everyone,আশা করি সকলে ভালো আছেন। আজকের পোস্ট হল মান্দার গাছের ফুল ফটোগ্রাফি।
গাছটির বন্দনা দিলাম ;
ফাল্গুন চৈত্র মাসে এটি আগুনের মতো ফোটে। অযত্নে বেড়ে ওঠা এই সাধারণ মান্দার গাছটিকে চিনলেও অনেকেই জানেন না যে এই গাছটি পারিজাত। গাছটি পত্রমোচী, বসন্তকালে এই ফুল ফোটে। গাছটিতে কাঁটা থাকে, যা একটু বৃদ্ধ হলেই ঝরে পড়ে। এটি সারা শরীরে লাল সুন্দর ফুল নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। মান্দার ফুলের গাছ সারা দেশে দেখা যায়। সীমানা খুঁটি হিসেবে এবং ঘরের বেড়ার জন্য রোপণ করে। এই গাছটি কোনও যত্ন ছাড়াই দ্রুত বৃদ্ধি পায়। বসন্ত এলে এটি তার প্রাণবন্ত লাল ফুল দেখায়। পরিবেশের প্রভাবের কারণে।
মান্দার গাছ অনেক বড় ও লম্বা হয়। এই গাছের ফুল অনেক সুন্দর এবং লাল টুকটুকি হয়। মান্দার ফুলের আরেক নাম 'পারিজাত'। এই ফুলকে অনেকে পলাশ বলে ভুল করে থাকেন। অনেকে বুনো পলাশ বলেও ডেকে থাকেন।
মাদার গাছের বৈশিষ্ট্য:
মাদার (Calotropis gigantea) হলো একটি গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ, যা সাধারণত শুকনো ও পরিত্যক্ত জমিতে জন্মে। এটি প্রধানত গরম ও উষ্ণ অঞ্চলে পাওয়া যায়।
মান্দার গাছে অনেক বড় বড় কাটা হয়ে তাকে।
প্রধান বৈশিষ্ট্য:
উচ্চতা: ৩-৬ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়।
পাতা: পুরু, চওড়া, ধূসর-সবুজ এবং তুলার মতো আবরণযুক্ত।ফুল: বেগুনি বা সাদা রঙের ছোট ছোট ফুল হয়, যা পঞ্চপত্র বিশিষ্ট।ফল: ফলের আকার ডিম্বাকৃতির এবং এর ভেতরে তুলার মতো আঁশ থাকে।মূল: গাছের মূল থেকে আঠালো সাদা দুধের মতো পদার্থ (ক্ষীর) বের হয়।
মান্দার গাছের কিছু ওষুধীয় গুণাবলী ;
বাত ও স্নায়ুর ব্যথায় কার্যকরী।পোকামাকড় নিরোধক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।বিষাক্ততা: গাছের দুধের মতো আঠা বিষাক্ত এবং সরাসরি শরীরে লাগলে চুলকানি বা জ্বালাপোড়া হতে পারে।
প্রতিরোধ ক্ষমতা: খরা সহনশীল এবং প্রতিকূল পরিবেশেও বেড়ে ওঠে।ব্যবহৃত অংশ:পাতাফুল,মূল,ক্ষীর (দুধ),সংক্ষেপে: মাদার গাছ
একটি ঔষধি ও বহুমুখী উদ্ভিদ, তবে এর বিষাক্ততা ও ঔষধি গুণের কারণে এটি ব্যবহারের সময় সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
আবারো নতুন কোন পোস্ট নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হবো সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।।